Rifatul

 

“ব্যাবসা বন্ধ থাকায় নিজের উপার্জন তো নেই, কর্মচারীদেরও বেতন দিতে পারছিলাম না। তাই কোনো উপায় না দেখে ব্র্যাকের কাছে যাই।”

 
 
 
 

বলছিলেন মোঃ রিফাতুল ইসলাম। তিনি ব্র্যাকের একজন সদস্য, নিজে একটি গাড়ির ওয়ার্কশপ চালান। “আমি ঢাকা কোতয়ালী ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স শাখায় ৩০,০০০/= টাকার একটি দ্বিগুণ জমার হিসাব খুলি। করোনার কারণে গত মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত আমার ব্যাবসার মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গেল। কর্মচারীদের প্রাপ্য বেতন পর্যন্ত দিতে পারি নাই।”

রমজানের ঈদ এসে গেল সেসময়। “ঈদের আগে আগে ব্র্যাক অফিসে গিয়ে আমার সমস্যার কথা খুলে বলি। মনে মনে উদ্দেশ্য ছিল ৩০,০০০ টাকার দ্বিগুণ জমার হিসাব ভাঙিয়ে সেখান থেকে কিছু টাকা যদি তোলা যায়।”

অফিস থেকে তাকে পরামর্শ দেওয়া হলো। “তারা আমার দ্বিগুণ জমার হিসাব ঠিক রেখে ৯০% ঋণ দেবেন, এতে আমার হিসাবও ঠিক থাকবে এবং এই লোনের টাকা ১২ মাসে ১২টি কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারব। এ কথা শুনে আমি আশার আলো খুঁজে পাই এবং ২৫,০০০/= টাকা লোন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।”

পরবর্তীতে ঐ ২৫,০০০ টাকা রিফাতুল তার ৫ জন কর্মচারীকে দেন। “এতে আমার কর্মচারীদের ভীষণ উপকার হয়। আমিও অনেকটা শান্তি পাই। ব্র্যাকের এই পরামর্শ ও উপকার আমার ভবিষ্যতেও মনে থাকবে। ধন্যবাদ ব্র্যাক।”